পুতিনের ভারত সফর
ভ্লাদিমির পুতিন ২ দিবসের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন — ৪–৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে 23rd India–Russia Annual Summit।
উদ্যোক্তা হিসেবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সঙ্গে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন
সফরের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব
এই সফর হচ্ছে পুতিনের প্রথম ভারত সফর — ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের পর। তাই এটি কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
ভারত ও রাশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী “বিশেষ ও প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ” — অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, শক্তি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি-সহ বহুমুখী সহযোগিতার নতুন রূপ নির্ধারণ করা হবে।
বিশেষভাবে, প্রতিরক্ষা (যেমন S-400 missile defence system + সাম্ভাব্য নতুন চুক্তি, এবং সম্ভবত Su-57 stealth fighter jet) এবং শক্তি, বাণিজ্য, শ্রম ও অর্থনৈতিক অংশীদারির বিষয়ে আলোচনা হবে।
সম্ভাব্য আলোচ্য বিষয় ও চুক্তি
প্রতিরক্ষা: নতুন S-400 রেজিমেন্ট, Su-57 জেট, সহায়তা ও প্রযুক্তি স্থানান্তর।
শক্তি ও বাণিজ্য: রুশ তেল ও গ্যাস, এনার্জি-সহ বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বাণিজ্য ভারসাম্য বোঝার চেষ্টা।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারি: স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রযুক্তি, শ্রম, সাংস্কৃতিক বিনিময় — বিভিন্ন খাতে চুক্তি সম্ভাবনা।
আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও ভূ-রাজনীতি: গ্লোবাল নিরাপত্তা, অঞ্চলীয় স্থিতিশীলতা, ইউক্রেন–যুদ্ধ পরিপ্রেক্ষিতে দু’দেশের পরিপন্থী ও স্বার্থ-ভিত্তিক আলোচনা।
প্রেক্ষাপট: কেন এই সময়
ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমের চাপের মধ্যে, ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক রক্ষা ও পুনর্গঠন করা গুরুত্বপূর্ণ।
বাণিজ্য ভারসাম্য ও রপ্তানি সম্প্রসারণ; রাশিয়া ভারতকে উদ্বুদ্ধ করছে বিভিন্ন খাতে — কাঁচামাল, শ্রম, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারির মাধ্যমে
প্রতিরক্ষা-শক্তি ও যানবাহন-সহ পরিপক্ক কেনাকাটার জন্য সঠিক সময়। ভারতে রাশিয়া-উৎপাদিত অনেক সমরাস্ত্র ব্যবহৃত হয়।
সফর কেন বা কার পক্ষে — ঝুঁকি ও সম্ভাবনা
এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করবে।
প্রতিরক্ষা ও শক্তি-চাহিদা মেটাতে রাশিয়া ভরসার উৎস হতে পারে।
এক দিকে, পশ্চিমা চাপ — বিশেষ করে তেল আয়াত ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা — কিন্তু কূটনৈতিক জটিলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
Comments
Post a Comment