মারণ রোগকে হারিয়ে জীবনের জয়গান: নারায়ণা হাসপাতাল বারাসাতে ক্যান্সার জয়ী নারীদের অদম্য সংকল্প উদযাপন
বারাসাত, ২৯ জুন, ২০২৬: - ক্যান্সার মানেই জীবনের শেষ নয়, বরং সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় এই মারণ রোগকেও যে অনায়াসে হারিয়ে দেওয়া যায়—আজ তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত দেখাল নারায়ণা হাসপাতাল বারাসাত। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আজ একত্রিত হয়েছিলেন একদল ক্যান্সার সারভাইভার। তাঁদের লড়াকু মানসিকতা এবং নতুন করে জীবন ফিরে পাওয়ার আনন্দকে উদযাপন করতেই আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ এই অনুষ্ঠানের, যেখানে মূল ফোকাস ছিল ক্যান্সারকে পরাজিত করা অদম্য নারীদের প্রতি সম্মাননা জ্ঞাপন করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রোগীরা তাঁদের চিকিৎসা চলাকালীন কাটানো কঠিন দিনগুলোর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি জানান যে, মারণ রোগের সাথে লড়াইয়ের সেই শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার দিনগুলোতে হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং যত্নশীল সেবা তাঁদের কতটা সাহস জুগিয়েছিল এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসার ফলেই আজ তাঁরা নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের ফ্যাসিলিটি ডিরেক্টর সুবশিস ভট্টাচার্য বলেন যে, ক্যান্সারের চিকিৎসা কেবল রোগীর জন্যই নয়, চিকিৎসকদের জন্যও এক বিশাল মানসিক পরীক্ষা এবং আজ এই সারভাইভারদের মুখে হাসি দেখে তাঁদের টিমগত প্রচেষ্টার সার্থকতা প্রমাণিত হয়েছে। গ্রুপটির গাইনোকলজিক অনকোলজিস্ট ডাঃ অগ্নিভ সরকার তাঁর বক্তব্যে জানান, এই 'ক্যান্সার সারভাইভার মিট' মূলত সেইসব নারীদের প্রতি এক বিনম্র শ্রদ্ধা, যাঁরা চরম প্রতিকূলতার মাঝেও হার
মানেননি, এবং তাঁদের এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প আগামী দিনে অন্য রোগী ও চিকিৎসকদেরও অনুপ্রাণিত করবে। অন্যদিকে মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট ডাঃ মীনাক্ষী রায় প্রাথমিক সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার পাশাপাশি এই লড়াইয়ে জেতার জন্য প্রয়োজন জোরালো মানসিক সমর্থন, যা প্রমাণ করে যে ক্যান্সারকে ভয় না পেয়ে লড়াই করে জয় করা সম্ভব। দীর্ঘ ২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বস্ততার সাথে ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবায় এক অগ্রণী নাম হিসেবে নারায়ণা হেল্থ দেশব্যাপী ২১টি JCI এবং NABL স্বীকৃত হাসপাতাল ও ক্লিনিকের এক বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চিকিৎসা উৎকর্ষতা ও সবার জন্য সুলভ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে।
Comments
Post a Comment